Motorola Moto G32: ৬.৫" ডিসপ্লের ৯০ হার্জ রিফ্রেশ রেট-সহ ও স্ন্যাপড্রাগন ৬৮০ চিপসেট নিয়ে আসছে নতুন সদস্য



বরাবরের মতো নতুন Moto G32 মডেলের ফোন বাজারে আসছে এবং সিরিজটিকে আরু একটু জমজমাট করে তুলছে। Moto G32 এর দাম বাংলাদেশে নির্দারিত MSRP প্রাইজ ২১,০০০ টাকা (২১০ ইউরো) হতে পারে। কিছু দিনের মধ্যেই আমাদের দেশের বাজারে পাওয়া যাবে। 

গত কয়েক দিন আগে Moto G52 লঞ্চ হয়েছে ২৫০ ইউরোতে (২৫,০০০ টাকা) Moto G62 5G এর মতো একই দামে। এ ফোনগুলির দাম শুধু একই নয়, কিন্তু বেশ কিছু ফিউচার একই রকম। ঠিক যেমন- G32, G42 এবং G52 ফোনগুলোর সব একই চিপ Snapdragon 680 ব্যবহৃত।


এবারের Moto G32 ৬.৫" ডিসপ্লের সাইজে ৯০ হার্জ রিফ্রেশ রেট-সহ একই স্ন্যাপড্রাগন ৬৮০ চিপসেট নিয়ে বাজারে আসবে। এই চিপসেটটি CPU কাজগুলিতে Helio G85 (যা Moto G31 দ্বারা চালিত) পারফরম্যানসকে ছাড়িয়ে যাবে এবং GPU পাওয়ারে কিছুটা পিছিয়ে। মনে রাখবেন যে, নতুন G32-এ 4+64GB এবং 6+128GB মেমরি আলাদা কনফিগারেশন রয়েছে। অন্যদিকে যেখানে G42 শুধুমাত্র 4GB RAM অফার করে।

যেকেউ নতুন Moto G32 ফোনটিকে তার পছন্দের ফোন হিসাবে বাছাই করতে পারেন এমন অন্যান্য ফিউচার রয়েছে ফোনটিতে। এতে 90Hz রিফ্রেশ রেট সহ একটি 6.5" LCD (FHD+ রেজোলিউশন) ডিসপ্লে, G42-এ 60Hz রিফ্রেশ রেট সহ একটি 6.4" AMOLED ডিসপ্লে থাকছে৷

মটোরোলার এই নতুন সিরিজের তিনটি ফোনেই 5,000mAh ক্ষমতা ব্যাটারী রয়েছে, তবে এখানে কিন্তু শুধুমাত্র G32 এবং দামী G52 ফোনটিতে 30W ফাস্ট চার্জিং সমর্থন করে। কেউ যদি G32 কে G52 এর একটি সস্তা, LCD ডিসপ্লের তুলনমূলক কম দামি সংস্করণ ভাবতে পারেন।

আমরা বলব তিনটি ফোনেই (ভাল, এখানে চারটি যদি Moto G62 5G অন্তর্ভুক্ত করা হয়) একই ক্যামেরা সেটআপ রয়েছে৷ এর মানে হল একটি ছোট 1/2.76” সেন্সর (0.64µm পিক্সেল) সহ একটি ৫০ মেগাপিক্সেল মেইন মডিউল, এছাড়াও একটি ৮মেগাপিক্সেল ১১৮° আল্ট্রা ওয়াইড-এঙ্গেল ক্যামেরা এবং পিছনে একটি ২মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো ক্যামেরা৷ সামনে, একটি পাঞ্চ হোল ১৬ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা (একটি Quad Bayer ফিল্টার সহ)। চিপসেটের সীমাবদ্ধতা হোক বা অন্য কোনো কারণে, ভিডিও ক্যাপচার ফুল এইচডি ৩০এফপিএস এ সীমাবদ্দ।

Moto G32 একক এবং ডুয়াল-সিম ফ্লেভারে উপলব্ধ। উভয় ক্ষেত্রেই একটি মাইক্রোএসডি কার্ডের জন্য একটি ডেডিকেটেড স্পট আছে। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এটি একটি ৪জি ফোন। অতিরিক্ত কানেক্তিভিটির মধ্যে রয়েছে Wi-Fi 5 (ac), Bluetooth 5.2 ও NFC। USB-C পোর্ট ২.০ ভার্সনের।
 
একটি সাশ্রয়ী মূল্যের মিড-রেঞ্জারের হিসাবে অডিও কুয়ালিটি মুটামুটি ভাল, একটি ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক এবং ডুয়াল স্পিকার, এছাড়াও একটি এফএম রেডিও রিসিভার থাকছে।


ফোনটির থিনকনেস ৪.৫ মিমি এবং ওজন ১৮৪ গ্রাম। বডিতে জল-প্রতিরোধী কোটিং ব্যবহৃত হয়েছে এবং এ ফোনটি তিনটি রঙে পাওয়া যাবে: ধূসর, সিলভার ও গোল্ড।

দাম নির্দিষ্ট করে বলা হবে বাংলাদেশের বাজারে আসার পর থেকেই। বক্সে থাকবে একটি চার্জার, ব্যাক কেস, স্ট্যান্ডার্ড হিসাবে একটি USB-C কেবল, একটি সিম ইজেক্টর এবং গাইড বুক।